ডিসেম্বর ১, ২০২৫ ৪:১৭ পূর্বাহ্ণ

অনলাইনে ব্যবসা করতে এখন থেকে লাগবে নিবন্ধন

ছবিঃ ইন্টারনেট
ছবিঃ ইন্টারনেট

ই-কমার্স খাতে ব্যবসা করতে এখন থেকে লাগবে নিবন্ধন। যদিও এই নিবন্ধন পদ্ধতি তৈরি করা অনেক আগেই দরকার ছিলো। কিন্ত সময়মত এমন পদক্ষেপ না নেওয়ায় মানুষ প্রতারণার শিকার হয়েছেন বারবার।

এ অবস্থায় দেশে প্রথম চালু হতে যাচ্ছে ইউনিক বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন (ইউবিআইডি) নম্বর দেওয়ার কাজ। এ জন্য ইউবিআইডি অ্যাপস নামে একটি অ্যাপস তৈরি করা হয়েছে। ই–কমার্স খাতের ব্যবসা করতে গেলেই এখন ইউবিআইডি নিতে হবে। আবার ফেসবুক ব্যবহার করে যাঁরা এ খাতের ব্যবসা করবেন, তাঁদেরও আসতে হবে নিবন্ধনের আওতায়।

সচিবালয়ে কাল রোববার ইউবিআইডি অ্যাপসটির উদ্বোধন করবেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ এ সময় উপস্থিত থাকবেন।

বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান মাসুদ বিশ্বাস, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, ই–কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইক্যাব) সভাপতি শমী কায়সার, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির, পুলিশের সিআইডি, এসবি, ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সি, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ডাক অধিদপ্তরসহ মোট ১৬টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

এত দিন ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর নিবন্ধন নেওয়ার পদ্ধতি ছিল না। ফলে কাউকে ধরাও যাচ্ছিল না বলে এই ফাঁকে অনেক খারাপ ঘটনা ঘটে গেছে। এখন অবশ্য শৃঙ্খলার মধ্যে আসবে এ খাত।

জানা গেছে, ইউবিআইডির পাশাপাশি নিবন্ধিত কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কারও অভিযোগ থাকলে তা নিষ্পত্তির জন্য চালু করা হচ্ছে সেন্ট্রাল লজিস্টিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিসিএমএস)। এ ছাড়া ‘বিনিময়’ নামে একটি ডিজিটাল আন্তলেনদেন প্ল্যাটফর্ম তৈরির কাজও চলছে।

বিনিময় অ্যাপের মাধ্যমে বিকাশ, নগদ, উপায় বা যেকোনো মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (এমএফএস) থেকে যেকোনো ব্যাংক হিসাবে টাকা পাঠানো যাবে। এ দুই সেবাও আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে। এ দুটির পর চালু করা হবে সেন্ট্রাল লজিস্টিক ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্ম (সিএলটিপি), তার কাজও চলছে।

কোনো ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানের প্রতারিত গ্রাহক কত এবং তাদের পাওনার পরিমাণই–বা কত, সরকার এখনো তা জানে না। তবে তা জানতে গত ২৫ জানুয়ারি কমিটি গঠন করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তবে ই–কমার্সের নামে প্রতারণা করে মানুষের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ১৫টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৪১টি মামলা রয়েছে। এসব মামলার আসামি ১১০ জন এবং গ্রেপ্তার হয়েছেন ৩৬ জন।

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email
Print