অবরোধের দ্বিতীয় দিন বুধবার বগুড়ার দু’টি পয়েন্টে মহাসড়কের দখল নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে।
সকাল ৮টার দিকে শহরের মাটিডালি এবং বেলা পৌণে ১০টার দিকে তিনমাথা এলাকায় ওই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। উভয় স্থানে বিএনপি নেতা-কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ এবং ককটেল ছুঁড়ে মারে। জবাবে পুলিশ টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে।
এছাড়া দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বাঘোপাড়া এলাকায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা পণ্যবাহী একটি ট্রাকে আগুন দেয়। অবরোধ চলাকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশ এবং বিজিবি সদস্যরা বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পণ্যবাহী ৫০টি ট্রাক শহরের সীমানা অতিক্রম করতে সহায়তা করেন। এর ফাঁকে ফাঁকে মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় গাড়ীতে ভাংচুর চালায় অবরোধকারীরা।
এদিকে অবরোধের প্রথমদিন সহিংসতার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ রাশেদ রহমান নামে বিএনপি’র মিডিয়া সেলে’র এক সদস্যকে বুধবার সকালে শহরের তিনমাথা এলাকা গ্রেফতার করেছে। বগুড়া সদর থানার ওসি সাইহান ওলিউল্লাহ্ জানান, রাশেদ রহমান যুবদলের সদস্য।
অবরোধের সমর্থনে জামায়াতে ইসলামির পক্ষ থেকে শহরের কয়েকটি পয়েন্টে ঝটিকা মিছিল বের করা হয়। অন্যদিকে অবরোধের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শহরের বনানী এবং মাটিডালি এলাকায় সমাবেশ করা হয়।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্নিগ্ধ আকতার জানান, কেউ যাতে মহাসড়কে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য আমরা প্রয়োজনীয় সব ধরণের পদক্ষেপ নিয়েছি।
এনসিএন/বিআর
