ডিসেম্বর ১, ২০২৫ ৫:৩৭ পূর্বাহ্ণ

নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে নেই যাত্রীছাউনি, রোদ-বৃষ্টিতে দুর্ভোগে যাত্রীরা

বগুড়ার নন্দীগ্রামে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কোনো যাত্রীছাউনি না থাকায় প্রতিদিন রোদ-বৃষ্টিতে মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, বগুড়া–নাটোর মহাসড়কের নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার জন্য শতশত মানুষ গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছেন।

তাদের মধ্যে অধিকাংশ যাত্রী বগুড়া ও রাজশাহীমুখী। খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে দীর্ঘক্ষণ গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে হয়। অনেক সময় বৃষ্টির পানিতে ভিজে কিংবা প্রখর রোদে পুড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয় তাদের। এ অবস্থায় অনেক যাত্রী আশ্রয়ের খোঁজে পাশের দোকানের সামনে দাঁড়ান।

এতে দোকান মালিকেরা বিরক্তবোধ করায় যাত্রীদের বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়। গন্তব্যের বাস এলেই তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দৌড়ে গাড়িতে ওঠেন। এতে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনার শিকার হন কেউ কেউ। ভুক্তভোগী যাত্রীদের দাবি নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে একটি স্থায়ী যাত্রীছাউনি জরুরি ভিত্তিতে নির্মাণ করা প্রয়োজন।

ঢাকাগামী যাত্রী রাকিব হোসেন বলেন, “ঢাকায় চাকরি করি। পরিবার নিয়ে স্ট্যান্ডে ঘণ্টাখানেক ধরে দাঁড়িয়ে আছি বসার জায়গা নেই, ছাউনি নেই। চরম কষ্ট হয়।” অন্য এক যাত্রী, শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে প্রতিদিন গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে হয়। একটা ছাউনি থাকলে অন্তত একটু স্বস্তি পেতাম।”

কলেজছাত্র মনিরুল ইসলাম বলেন, “কলেজে যেতে প্রতিদিন বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়াতে হয়। প্রখর রোদ বা হঠাৎ বৃষ্টি হলে আমরা বিপদে পড়ি। দোকানে দাঁড়ালে দোকানদাররা অস্বস্তি বোধ করেন। তাই দ্রুত যাত্রী ছাউনি প্রয়োজন।” অটোরিকশাচালক শহিদুল হোসেন বলেন, “বৃষ্টির সময় যাত্রীদের খুব কষ্ট হয়। দোকানের সামনে দাঁড়াতে গেলে দোকানিরা তাড়িয়ে দেন। গাড়ি এলেই দৌড়ে বৃষ্টিতে ভিজে উঠতে হয়।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নন্দীগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম বলেন, “যাত্রীদের দুর্ভোগের বিষয়টি আমাদের জানা আছে। অতি শীঘ্রই নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি যাত্রীছাউনি নির্মাণ করা হবে।

 

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email
Print