বগুড়া, ৬ এপ্রিল ২০২২ : বগুড়ায় আউস (বর্ষালী ইরি) চাষ বেড়েছে। গত বেশ কযেক বছর হলো চালের ঘাটতি মোটাতে এবং আউস চাষে উদ্বুদ্ধ করতে কৃষি বিভাগ কৃষকদের প্রনোদনা দিয়ে আসেছে। প্রনোদনার মাধ্যমে কৃষকদের আউস চাষে উদ্বুদ্ধ করায় এখন অনেক চাষী আউস ধান চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক এনামুল হক জানান, এবার কৃষি বিভাগ জেলার ১৬ হাজার ৫০০ কৃষককে বীজ, সার প্রনোদনা দিয়েছে। প্রতি বিঘার জন্য প্রনোদনা প্রাপ্ত প্রতি ১ জন কৃষককে ৫ কেজি বীজ, ২০ ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার দেয়া হয়েছে। বীতলার চারা আর ১০ দিনেমধ্যে বড় হলে আউস রোপন শুরু হবে।
ধানের দাম ভাল পাওয়ায় কৃষকরা আউস চাষ করছে। এবার জেলায় ২০ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে আউস চাষের লক্ষ্যমাত্র্য নির্ধারন করেছে। গত বছর জেলায় আউস চাষ হয়েছে ১৮ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে। কৃষি কর্মকর্তা আরো বলেন ধানের দাম ভালো পাওযায় কৃষকরা আউস চাষে এগিয়ে আসছে। কৃষি কর্মকর্তারা জানান এবার ৫৭ হাজার ৪২০ মেট্রিক টন ফলন (চাল আকারে) মিলবে।
এবার নতুন মাঝারী ও চিকন আউস বীজ এসেছে। মোট ধান বৃ-ধান ৪৮ ছাড়াও ( ফলন পেতে ১২৫দিন সময় লাগবে), স্বল্প মেয়াদী বৃ-ধান ৮৫ (১১৫ দিনে ফলন পাওয়া যাবে), নতুন জাত বৃ- হাইব্রিট, বিনা ধান ১৯ এসেছে। নতুন জাতের সরু আউস এর বীজের চাহিদা বেড়েছে। অতিরিক্ত উপ-পরিচালক জানান , মানষের জীবন মনের উন্নত হওয়ায় চিকন বা সরু চালের চাহিদা বেড়েছে। তাই কৃষকদের চিকন আউস বীজের প্রতি আগ্রহ বেশি।
এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামীতে আউস চষের পরিমান আরো বাড়বে। গ্রীষ্ম কালিন শাক-সবজি জমি , আগাম লাগানো বোরো জমিতে , স্বল্প মেয়াদী সবজির জমি ফাঁকা হলে সেখানে আউস চাষ শুর হবে। কৃষি কর্মকর্তা আরো বলেন আগামী ২০দিনে মধ্যে আউস রোপন শরু হবে।
