ডিসেম্বর ১, ২০২৫ ৪:৪৪ পূর্বাহ্ণ

বাধ্য হয়ে সরিষার তেলে ঝুকেছে ক্রেতারা

বগুড়ার বাজার থেকে সয়াবিন তেল উধাও

রন্ধন শালার অতি প্রয়োজনীয় জিনিস ভোজ্য তেল সায়াবিন বগুড়ার বাজার থেকে উধাও হয়ে গেছে। সংকটের কারনে জেলায় সয়াবিনের জন্য হাহাকার দেখা দিয়েছে। মানুষ বাজারে ভোজ্য তেল সয়াবিন না পেয়ে বিকল্প সরিষার তেল নিয়ে বাড়ি ফিরছেন।
জেলায় শনিবার সকাল থেকে ৫ ও ৩ লিটারের বোতল হঠাৎ করে উধাও হয়ে যায়। ২ লিটারের বোতল পাওয়া যাচ্ছে ২/১ দোকানে। খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, সয়াবিন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও ডিলারদের নিকট থেকে তেল পাওয়া যাচ্ছে না। এই কারনে সয়াবিনের সংকট দেখা দিয়েছে। সয়াবিন যদিও বা পাওয়া যাচ্ছে তা মধ্যবিত্ত মানুষের নাাগালের বাইরে। যে দুই-একটি দোকানে বিক্রি তাও ২ লিটারের বোতল। ২ লিটার সয়াবিনের বোতল ৩৩৫ থেকে ৩৫০ টাকা। ৩লিটারের বোতল ৫১০ টাকা। দুর্লভ ৫ লিটারের সোয়াবিন বোতল ৮৪০ টাকা থেকে ৮৫০ টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সোয়াবিন তেলের এক পরিবেশ মোবাইল ফোনে জানান, কোম্পানী থেকে তাদের সয়াবিন সরবারাহ করা হচ্ছে না । নাম না প্রকাশ কারা স্বার্থে অনেক খুচরা দোকানি জানান পাইকারি অনেক ব্যবসায়ী তেল তাদের গোপন গুদামে মজুদ করে ফেলেছেন । বিশেষ করে ৫- লিটার ও ৩ লিটারের বোতল ।
এদিকে বাজারে খোলা ড্রামের তেল ১৭৮ টাকা থেকে ১৮৩ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান তাদের আগের কেনা ড্রামের সয়াবিন তেল।
অপরদিকে সয়াবিন সংকটের কারনে নিত্য প্রযোজনীয় এই সয়াবিন তেলের পরিবর্তে বিকল্প হিসাবে সরিষার তেলের দিকে ঝুকেছে। বগুড়া রাজাবাজারের ভোজ্য তেল ব্যবায়ী নিউ মন্ডল ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারি খলিলুর রহমান জানান, সয়াবিন সংকটের আগে তারা প্রতিদিন (১৬ কেজি ওজনের টিন) ৩ টিন তেল বিক্রি করেছেন । এখন সয়াবিন সংকটের কারনে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৬ টিন (১৬ কেজি ওজনের) বিক্রি হচ্ছে। তারা ১৯০ টাকা লিটার সরিষার তেল বিক্রি করছেন। আর বাজারের খুচরা দোকানিরা প্রতিলিটার সয়াবিন বিক্রি করছে (উন্নত মানের ) ১৮৩ টাকা লিটার।

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email
Print