ডিসেম্বর ১, ২০২৫ ৪:৫৭ পূর্বাহ্ণ

বগুড়ায় হেপাটাইটিস সি রোগীদের জন্য চালু হলো হেমোডায়ালাইসিস বিভাগ

আজ বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) নেফ্রোলজি বিভাগে চালু হয়েছে হেপাটাইটিস সি পজিটিভ রোগীদের জন্য আলাদা হেমোডায়ালাইসিস সেবা। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে হেপাটাইটিস সি ভাইরাস পজিটিভ রোগীদের ডায়ালাইসিস সেবার দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান আলাদা হেমোডায়ালাইসিস বিভাগ চালুর মধ্য দিয়ে।

বিশ্ব কিডনি দিবস উপলক্ষে আজ সকালে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মহসিন এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের প্রধান আ ন ম এহসানুল করিম নর্থ ক্যাপিটাল নিউজকে জানান, নেফ্রোলজি বিভাগের ডায়ালাইসিস ইউনিটে এতদিন পর্যন্ত ২০টি হেমোডায়ালাইসিস যন্ত্র চালু ছিল। এতে দুই পালায় গড়ে প্রতিদিন ৪০ জন রোগীকে ডায়ালাইসিস সেবা দেওয়া সম্ভব হতো। তবে হেপাটাইটিস সি ভাইরাস পজিটিভ রোগীদের জন্য আলাদা হেমোডায়ালাইসিস কার্যক্রম চালু ছিলো না। ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য আলাদা ডায়ালাইসিস কার্যক্রম চালুর দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। এ যন্ত্র স্থাপনের মধ্যদিয়ে হেপাটাইটিস সি পজিটিভ দুইজন রোগীকে দুটি যন্ত্রের মাধ্যমে একসঙ্গে ডায়ালাইসিস সেবা দেওয়া যাবে।

শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজ হাসপাতালে ২০১৬ সালের ১৭ আগস্ট দুটি যন্ত্রের মাধ্যমে হেমোডায়ালাইসিস ইউনিট চালু করা হয়। ওই বছরের নভেম্বরে চালু হয় নেফ্রোলজি বিভাগের কার্যক্রম। বর্তমানে ডায়ালাইসিস যন্ত্রসংখ্যা ২২টি। শুক্রবার ব্যতীত প্রতিদিন গড়ে ৪০ জন রোগীকে ডায়ালাইসিস সেবা দেওয়া হচ্ছে।

নেফ্রোলজি বিভাগ সূত্রে আরো জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ডায়ালাইসিস নিয়ে বেঁচে আছেন কিডনি বিকল এমন রোগীর সংখ্যা ৭৪ জন। ২০ শয্যার নেফ্রোলজি বিভাগে প্রতিদিন ৬০ থেকে ৭০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। তাঁদের মধ্যে প্রতিদিন ডায়ালাইসিস পান ১০ জন রোগী। ডায়ালাইসিস সেবা নিতে প্রতি মাসে আবেদন জমা পড়ে ২৫০টি। আবেদনের পর একজন রোগীকে ডায়ালাইসিস সেবার জন্য গড়ে ছয় থেকে সাত মাস অপেক্ষা করতে হয়।

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email
Print