ডিসেম্বর ১, ২০২৫ ৩:৫৬ পূর্বাহ্ণ

উত্তরাঞ্চলে জ্বালানি তেলের সঙ্কট, প্রভাব পরেনি বগুড়ায়

উত্তরাঞ্চলে জ্বালানি তেলের সঙ্কট, প্রভাব পরেনি বগুড়ায়। ছবি: ইন্টারনেট
উত্তরাঞ্চলে জ্বালানি তেলের সঙ্কট, প্রভাব পরেনি বগুড়ায়। ছবি: ইন্টারনেট

দেশের বিভিন্ন স্থানে জ্বালানি তেলের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। নীলফামারি, কুড়িগ্রাম ও রাজশাহীসহ বেশকিছু জেলায় একই চিত্র। ফিলিং স্টেশনগুলোতে পেট্রোল ও অকটন সংকটের কারণে জ্বালানি না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে যানবাহন চালকদের।

তবে উত্তরাঞ্চলের দ্বারপ্রান্ত বগুড়ায় সেভাবে জ্বালানির সংকট দেখা যায়নি। এ নিয়ে শহরের বেশকিছু ফিলিং স্টেশনে সরেজমিনে গিয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঈদের ছুটি ও সরকারি দপ্তরের লম্বা ছুটির কারণে সাময়িক অসুবিধা পোহাতে হলেও জ্বালানির তীব্র সংকট দেখা দেয়নি বলে জানান পাম্প মালিকেরা।

রোববার (৮ মে) বগুড়ার পদ্মা অয়েল কোম্পানির সহকারী মহাব্যবস্থাপক হারিস আহাম্মদ সরকার জানান, ‘উত্তরাঞ্চলের কিছু জেলায় তেলের মজুদ না থাকায় সেখানে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছিলো। ঈদের ছুটি শেষে এখন সবাই কাজে ফিরেছে ও তেল সরবরাহ বেড়েছে। আশা করছি, খুব শিগগিরই সাময়িক যে অসুবিধা তৈরী হয়েছিলো তা কেটে যাবে।’

হারিস আহাম্মদ জানান, গতকাল শনিবার বগুড়া জেলায় ৭২ হাজার লিটার তেল সরবরাহ করেছি আমরা। এতে করে সংকট দেখা দেওয়ার কোনো প্রশ্নই থাকে না।

উত্তরাঞ্চলে গত দু’দিনে ২৭ লাখ লিটার জ্বালানি সরবরাহের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার রাঙ্গামাটি থেকে উত্তরবঙ্গে ১০ লাখ ৬৭ হাজার লিটার জ্বালানি সরবরাহ করা হয়েছে। একই সাথে আজ (৮ মে) পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানি ১৭ লাখ লিটার তেল সরবরাহ করবে। এমনকি আগামী দুই-একদিনের মধ্যে আরো ৩ লাখ লিটার জ্বালানি এসে পৌঁছাবে বলে তিনি জানিয়েছেন।’

জানা যায়, গোটা উত্তরাঞ্চলে ছোট-বড় মিলিয়ে ৭৫০টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। যার বেশিরভাগ মালিকানায় রয়েছে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানিগুলো। তারপরও উত্তরবঙ্গের জনবহুল এলাকাগুলোতে জ্বালানির সংকট কেন দেখা দিয়েছে তার সঠিক কারণ দেখাতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কেউই। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জ্বালানি সরবরাহ বাড়লেই সংকট হ্রাস পাবে বলে জানান তারা।

এনসিএন/এআইএ

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email
Print