ডিসেম্বর ১, ২০২৫ ৩:৪৯ পূর্বাহ্ণ

গাছের গুড়ি ফেলে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, জরুরী সেবা থেকে বঞ্চিত এলাকাবাসী

গাছে গুড়ি রাস্তায় বসিয়ে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি। ছবিঃ এনসিএন
গাছে গুড়ি রাস্তায় বসিয়ে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি। ছবিঃ এনসিএন

বগুড়া সরকারি আযিযুল হক কলেজের পেছন দিয়ে জহুরুল নগর গেইট থেকে পালশা অবদি রাস্তার মাঝে গর্ত করে গাছের গুড়ি বসানো হয়েছে। এতে করে প্রতিদিন প্রতিবন্ধকতার শিকার হচ্ছেন এই এলাকায় চলমান সকল ধরণের মানুষ ও যানবাহন। রাস্তাটি বগুড়া পৌরসভার তৈরি। সর্বসাধারণের জন্য পৌরসভার সকল রাস্তা জনসাধরণের জন্য উন্মুক্ত থাকলেও জনগণের চলাচলের জন্য বাঁধার সৃষ্টি করা হয়েছে এই রাস্তায়। 

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চেয়ে বগুড়া সরকারি আযিযুল হক কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি নর্থ ক্যাপিটাল নিউজকে জানান, “রাস্তাটি বগুড়া পৌরসভার তৈরি। আমরা এ রাস্তায় ব্যারিকেট দিয়েছি যাতে করে ভারী কোন যানবাহন চলতে না পারে।”

কার নির্দেশে তিনি রাস্তায় প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করেছেন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি এর দোষ চাপিয়ে দেন পুলিশের দিকে।

এ বিষয়ে জানতে চেয়ে বগুড়া স্টেডিয়াম ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ হরিদাশ মন্ডল নর্থ ক্যাপিটাল নিউজকে জানান, “আমরা এমন কোন কর্মকান্ড করার নির্দেশ কাউকে দেইনি। জনগণের দূর্ভোগ হোক এমন কোন কর্মকান্ড আমাদের কাম্য নয়।”

সরেজমিন দেখা যায় এই রাস্তা ভারী যান চলাচলের জন্য উপযুক্ত নয়, যার কারণে কোন ভারী যানবাহন এ রাস্তায় চলাচল করে না। শুধুমাত্র এলাকাবাসী এবং শিক্ষার্থীদের চলাচলের জন্য এ রাস্তা ব্যবহার হয়। রাস্তায় গাছের গুড়ি বসানোর কারণে কোন রিক্সা চলাচল করতে পারে না এমনকি মোটর সাইকেল নিয়ে যেতেও অসুবিধা হয় সর্বসাধারণের।

স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মতিন সরকার জানান, “পৌরসভার অনুমতি ছাড়াই সরকারি আযিযুল হক কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী নিজ উদ্যোগে যানবাহন যেন ঢুকতে না পারে এজন্য গাছের গুড়ি পুতে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করেছে। এ বিষয়ে আমরা কোন সম্মতি দেইনি।”

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলেজের অধ্যক্ষ বহুদিন যাবত রাস্তায় গাছের গুড়ি বসিয়ে জনসাধরণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটিয়ে আসছেন। এ ব্যাপারে কেউ পদক্ষেপ নিয়েও কোন কাজ হয়নি।

স্থানীয়রা জানান, “এ এলাকায় কোন দুর্ঘটনা ঘটলে এ্যাম্বুলেন্স কিংবা ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসতে পারে না। একটি রিক্সাও আমরা এ রাস্তা দিয়ে নিয়ে যেতে পারি না। রাস্তার এ প্রতিবন্ধকতার জন্য প্রতিনিয়ত আমাদের ভোগান্তির শিকার হতে হয়।”

 

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email
Print