বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মাসিক আইন–শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা পরিষদের ভদ্রাবতী সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সভায় উপজেলার সার্বিক আইন–শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি, জনসেবামূলক কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি, সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং বিভিন্ন সমস্যার সমাধান বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে গ্রাম-অঞ্ছলে চুরি-ছিনতাই, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, মাদক নিয়ন্ত্রণ, সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস, শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নসহ বিভিন্ন সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে উপস্থিত কর্মকর্তারা মতামত প্রদান করেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার গাজিউল হক, উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসার কল্পনা রানী রায়, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আন্না রানী দাস, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. তোফাজ্জল হোসেন মন্ডল, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মন্ডল, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন আদর, পৌর বিএনপির সভাপতি আলেকজান্ডার, নন্দীগ্রাম থানার ওসি ফইম উদ্দিন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শফিকুল ইসলাম, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার সরদার ফজলুল করিম, উপজেলা প্রকৌশলী নুরনবী খান, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এসএস সারোয়ার জাহান, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার গোলাম মোস্তফা, উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার রবিউল ইসলাম।
বুড়ইল ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিয়া, ভাটগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কামাল আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাজাহান আলী সাজু, ওয়াসিম উদ্দিন, নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ফজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন দুলাল, কার্যকরী সদস্য মামুন আহম্মেদ, সাংবাদিক রাকিব বাবু, নন্দীগ্রাম মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক জাকারিয়া লিটন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আব্দুর রউফ উজ্জ্বল, শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোকলেছুর রহমান, সহ-সভাপতি আবুল কাশেম।
পল্লি বিদ্যুতের এজিএম আবু হানিফ, ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, কুন্দারহাট হাইওয়ে থানার প্রতিনিধিত্বকারী এসআই রাফিউল ইসলাম, গ্রাম আদালতের সমন্বয়ক ইয়াছিন আলীসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সভায় বক্তারা উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি শীতকালীন মৌসুমে অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ, বাজার এলাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, উৎসবমুখর সময়ে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সরকারি সেবা কার্যক্রম দ্রুতগতিতে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভা শেষে ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা কর্মসূচি বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
