গেল কয়েক দিনের ব্যবধানে হঠাতই বগুড়ার বাজারে খুচরা দোকানে মানভেদে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে কেজিতে ৬০ থেকে ১০০ টাকা। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
শনিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, শহরের রাজাবাজারে কাঁচা মরিচের দাম প্রতি কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা থেকে ১৬০ টাকায়।
ব্যবসায়ীরা জানায়, ঈদের আগেও শহরের খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচের দাম ছিল ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। পাইকারিতেও ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেঁজি দরে বিক্রি হচ্ছিল কাঁচা মরিচ। কিন্তু ঈদের দু’দিন আগে হঠাতই মরিচের দাম বেড়ে যায়।
হঠাৎ এমন দাম বৃদ্ধি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে পাইকারী ব্যবসায়ী জাহিদুল ইসলাম বলেন, গত কয়েক দিনের তাপমাত্রা ও রোদের কারণে জমিতে খরার কারনে মরিচের গাছের গোড়া শুকিয়ে যাওয়ার ফলে গাছ মরে যাচ্ছে এবং গাছে মরিচের জোয়ার নেই। যার ফলে আমদানি বা সরবরাহ কম হওয়ায় আগের তুলনায় বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মহাস্থান কাঁচা বাজার থেকেই কৃষকের কাছ থেকে মরিচ কিনতে হচ্ছে চরা দামে। মন প্রতি প্রকারভেদে ৪৭০০ থেকে ৫০০০ টাকা অর্থাৎ প্রতি কেঁজি ১১০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত কিনতে হচ্ছে। কেজি প্রতি খাজনা, শ্রমিক ও যানবাহন খরচ তো আছেই।
এদিকে মধ্য আয়ের ক্রেতারা বলছেন, ‘দিন দিন এমন বৃদ্ধিতে বাজারে হিমশিম খাওয়া অবস্থা। এক হাজার টাকাতেও এখন আর বাজারের ব্যাগ ভরে না। কিছু দিন আগেও যে মরিচ ৮০ টাকা কেজিতে নিয়েছি তা এখন ১৬০ টাকা।’
তবে এ বিষয়ে বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ পরিচালক এনামুল হক জানিয়েছেন, ‘এটা মরিচের অফ সিজন। তাই পাইকারী ও খুচরা বাজারে প্রভাব পড়েছে। আর এ কারণেই পণ্যটির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। মরিচের দাম স্বাভাবিক হতে এখনো দেড় মাস সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।’
শহরের বাজারে পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক অবস্থাতেই আছে। প্রতি কেঁজি পেঁয়াজের মূল্য ৪০ টাকা। যা পাইকারি বাজারে বিক্রি ৩৫ থেকে ৩৮ টাকায়। ব্যবসায়ীরা জেলার বৃহৎ মোকাম মহাস্থান হাট থেকে পেঁয়াজ কিনছেন ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা মন দরে।
এনসিএন/বিআর
