ডিসেম্বর ১, ২০২৫ ৫:৪৪ পূর্বাহ্ণ

বগুড়ায় দেশি-বিদেশি অস্ত্রসহ গ্রেফতার ৩

কাহালু থানা পুলিশের অভিযানে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র তৈরীর সরঞ্জামাদিসহ গ্রেফতার ২। ছবি: এনসিএন
কাহালু থানা পুলিশের অভিযানে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র তৈরীর সরঞ্জামাদিসহ গ্রেফতার ২। ছবি: এনসিএন

বগুড়ায় বিদেশি অস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র তৈরীর সরঞ্জামাদিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ। শুক্রবার মধ্যরাতে জেলার পৃথক দুটি এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার (১৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টায় বগুড়ার পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী।

গতকাল শুক্রবার রাতে কাহালুর মালঞ্চা ইউনিয়নের কলমাশিবা গ্রাম থেকে নিলু চন্দ্র প্রামানিক (৪৫) ও তার ছেলে সঞ্জিত চন্দ্রকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছে বিপুল পরিমাণ দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র একনলা বন্দুক তৈরির যন্ত্রাংশ জব্দ করেছে কাহালু থানা পুলিশ।

এদিন সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী জানান, গেল ১৪ এপ্রিল মধ্যরাতে কলমাশিবা গ্রামের একরাম হোসেন সরদার ওরফে বগা(৩২) নামে এক যুবকের দুই পায়ে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় শামিম হোসেনকে (৩০) গ্রেফতার করা হয়েছে। এতে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার ও পলাতক আসামীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।’

পুলিশ সুপার জানান, মূলত একরামের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা তদন্তকালে সন্দেহভাজন হিসেবে নিলু ও তার ছেলে সঞ্জিতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেফতার করা হয়। পরে নিলুর বাড়ির পাশে মাটির নিচে বাজারের ব্যাগ থেকে পলিথিন দ্বারা মোড়ানো অবস্থায় বিপুল পরিমাণ দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র একনলা বন্দুক তৈরির যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা যন্ত্রাংশের মধ্যে রয়েছে, একনলা বন্দুক তৈরির ব্যারেল ৫টি, লোহার তৈরি রিকয়েলিং স্প্রিং তিনটি, ফায়ারিং পিন ৬টি, একনলা বন্দুক তৈরির স্টীলের খাপ ৫ টি,  ১৯ টি বিভিন্ন সাইজের লোহার পাত, ব্যারেলের শেষ অংশ লোহার তৈরি জং ধরা ১টি,  ৩ টি লোহার রড, ড্রিল মেশিনের মাথায় ব্যবহৃত ৪ টি লোহার ফলা, লোহার তৈরি হ্যামার ৬ টি এবং চারটি স্টীলের পাত।

অন্যদিকে ধুনট উপজেলার নিত্তিপোতা এলাকা থেকে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও চার রাউন্ড তাজা গুলিসহ শহিদুল ইসলামকে (৩৩) গ্রেফতার করে থানা পুলিশ। তিনি ওই এলাকার রুস্তম আলীর ছেলে।

জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলার পৃথক দুটি থানায় মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলে পাঠানো হবে।

এনসিএন/এআইএ

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email
Print