বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে নিপুণ আক্তারকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জয়ী করে আপিল বোর্ডের দেওয়া সিদ্ধান্ত স্থগিত করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি জায়েদ খানের দায়িত্ব পালনে কোনো প্রকার বাধা না দিতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জায়েদ খানের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ দেন।
এদিন আদালতে জায়েদ খানের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, আহসানুল করীম ও আইনজীবী নাহিদ সুলতানা যুথী, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মজিবুল হক ভুঁইয়া। অন্যদিকে নিপুণের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট রোকনউদ্দিন মাহমুদ।
বিষয়টি সম্পর্কে আইনজীবী আহসানুল করীম গণমাধ্যমে বলেন, নিপুণ আক্তারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আপিল বোর্ডকে ২ ফেব্রুয়ারি সমাজসেবা অধিদপ্তরের দেওয়া চিঠির কার্যকারিতা এবং জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করে নিপুণকে বিজয়ী ঘোষণা করে আপিল বোর্ডের দেওয়া সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সমাজসেবা অধিদপ্তরের চিঠি এবং আপিল বোর্ডের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, এই মর্মে এক সপ্তাহের রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
এছাড়া জায়েদ খানের দায়িত্ব পালনে কোনো প্রকার বাধা না দিতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে অপর প্রার্থী নিপুণের সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসা আটকে গেল।
এর আগে, গত ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ মেয়াদের নির্বাচনের প্রাথমিক ফলে সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খানকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। তবে তার বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে ভোট কেনাসহ নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অভিযোগ আনলে ৫ ফেব্রুয়ারি সেই প্রেক্ষিতে আপিল বোর্ড জায়েদের প্রার্থিতা বাতিল করে।
পরে নির্বাচনের আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী চিত্রনায়িকা নিপুণকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী ঘোষণা করেন। এরপর থেকেই বিষয়টি ‘বেআইনি’ বলে দাবি করে আসছেন জায়েদ খান।
