বগুড়ার করতোয়া নদীর উপর পরিত্যাক্ত ফতেহ আলী ব্রিজ পুন:নির্মানের অনুমোদন পেয়েছে বগুড়া সড়ক ও জনপথ বিভাগ।
আগামী শুষ্ক মৌসুমে (নভেম্বর অথবা ডিসেম্বরে) এর নির্মান কাজ শুরু হবে বলে আশাবদ ব্যাক্ত করেছেন জেলার স ও জ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো: আসাদুজ্জামান। ব্রীজটি হবে দৃষ্টি নন্দন।
১৯৬২ সালে করতোয়া নদীর ওপর ৬৮ মিটার দীর্ঘ ফতেহ আলী ব্রীজ নির্মান করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। এর বীজ ভারী যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি পূর্ণ হয়ে ওঠে ২০১৮ সালে এই ব্রীজকে ঝুকিপুর্ণ ঘোষনা করা হয়। এর পর থেকে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়।
জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বীজটি নির্মানের জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগ অনুমোদন লাভ করে। এই প্রকল্পের জন্য ব্যা ধরা হয়েছে ২২ কোটি টাকা। বীজটি পুন:নির্মান করা হলে এই বীজ দিয়ে ভারী যানবাহন সহজ হবে। এই ব্রীজটি জেলা শহরকে দুই ভাগে ভাগ করেছে। গাবতলী ও সারিয়াকান্দি উপজেলার সাথে যোগাযোগের সহজ মাধ্যম।
জেলা সওজ‘র নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, এই ব্রিজ লম্বায় হবে ৬৮ ফুট। আর চওড়া হবে বর্তমান ব্রীজের দ্বিগুন। এখন ফতেহ আলী ব্রীজ ৬ ফুট প্রসস্ত। পুন:নির্মন বীজের প্রসস্ত হবে বীজের দুই পাশে আড়াই মিটার করে ফুটপাত থাকবে। দুই পাশের ৫ ফুটসহ মোট চওড়া হবে ১২ দশমিক ৭৬ মিটার। ব্রীজটি হবে দৃষ্টি নন্দন।
এনসিএন/এ
