ডিসেম্বর ১, ২০২৫ ৫:১৫ পূর্বাহ্ণ

ঢাকা চকবাজারের ইফতার সামগ্রী এখন বগুড়ার আকবরিয়ায়

‘বড়বাপের পোলায় খায় ঠোঙ্গায় ভরে নিয়ে যায়’

পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ইফতার এখন বগুড়ায়।ছবি: এনসিএন
পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ইফতার এখন বগুড়ায়।ছবি: এনসিএন

বগুড়া, ৩ এপ্রিল ২০২২ : ইফতারের তালিকায় ঢাকার চকবাজারের বেশ কিছু ইফতার সামগ্রী স্থান পেয়েছে বগুড়ার আকবরিয়া হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্টে। রমজানের প্রথম দিনেই ছিল ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। সেলসম্যানরা ঢাকার চক বাজারের সেলস ম্যানের মত চিৎকার করে ‘বড়বাপের পোলায় খায় ঠোঙ্গায় ভরে নিয়ে যায়’ বলে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। ক্রেতারাও হমড়ি খেয়ে পড়েছে আকবরিয়া ইফতার নিতে।

বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী আকবরিয়া হোটেলে প্রথমবারের মত ঢাকার চকবাজারের ইফতার সামগ্রীর আদলে ঢাকার ‘বড়বাপের পোলায় খায় ঠোঙ্গায় ভরে নিয়ে যায়’ নামের কয়েকটি খাবারের মিশ্রন ঘটিয়ে (মুরগী, ঘি, মটর ডাল সিদ্ধ, খাসির কলিজা, ডিম), খাসির রান, কলিজা ভুনা, চিকেন ফ্রাই, কোয়েল পাখি, হালিম, বুট, চিকেন বল, জালি কাবাব, শামী কাবাব, মিল্ক ব্রেড পাকুড়া, চিকেন ব্রেড পাকুড়া, বিফ চপ, লাচ্ছি, ফালুদা, ঝুড়ি ভাজা, চিড়া ভাজা, বাদাম ভাজা, নিমোক পাড়া, ডাল ভাজা, বুন্দিয়া, জিলাপি, বেগুনী, ডাল পিয়াজি, সবজি পিয়াজি, বুট ভুনা, চিকেন গ্রিল, তান্দুরী চিকেন, চিকেন জালি কাবাব, চিকেন বুস্টার, চিকেন শাশলিক, চিকেন চিলি, চিকেন রোল, মাটন রোল, মাটর ব্রেড পাকুরা, মিল্ক ব্রেড পাকুরা, চিকেন ব্রেড পাকুরা, চিকেন ড্রামস্টিক, ব্রেড টোস্ট, শামী কাবাব, টিকা কাবাব, জালি কাবাব, ডিপ চপ, চিকেন বল, বিফ বল, ডিম চপ, হালুয়া, খিচুরী, পাটিশাপটা, মরিচী, আলুর চপ, রেশমী জিলাপীসহ ইত্যাদি। আকবরিয়া কর্তৃপক্ষ বলছে, এগুলো খাবার ঢাকার মানে এখন বগুড়ায় পাওয়া যাবে। বগুড়ার মানুষকে ঢাকার খাবার তুলে দিতেই এবার প্রথমবারের মত আকবরিয়া ঢাকার ইফতার সামগ্রী পসরা সাজালো।

ঢাকা থেকে বাবুর্চি নিয়ে এসে এই রান্না করা হচ্ছে এই সব ইফতার সামগ্রী। ঢাকার বাবুর্চি মো: খোকন জানান, তিনি গত প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বছর ধরে তার বাবার সঙ্গে ঢাকার চকবাজারে ইফতার সামগ্রী বিক্রি করে আসছে। এবারই প্রথম বগুড়ায় এসে আকবরিয়াতে চাকুরি হিসেবে কাজ করছেন। তিনি সহ তার কয়েকজন সহযোগি ঢাকার চকবাজারের মত ইফতার সামগ্রী তৈরী করেছেন।

আকবরিয়া লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাসান আলী আলাল জানান, ক্রেতার সন্তুষ্টিই আমাদের অহংকার। ভোক্তাদের চাহিদা পূরণে যেকোনো ধরনের ত্যাগ প্রদানে এ প্রতিষ্ঠানটি বদ্ধপরিকর। ক্রেতা ও বিক্রেতা একে অপরের পরিপূরক।তাদের মাঝে ভালোলাগা, আত্মতৃপ্তি , সমš^য় ও ক্রেতাদের উত্তম সেবা দেওয়া নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করি।

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email
Print