ডিসেম্বর ১, ২০২৫ ৪:০১ পূর্বাহ্ণ

বগুড়ায় যমুনার পানি স্থিতিশীল, বেড়েছে বাঙালী নদীর পানি

বগুড়ায় যমুনার পানি স্থিতিশীল, বেড়েছে বাঙালী নদীর পানি
বগুড়ায় যমুনার পানি স্থিতিশীল, বেড়েছে বাঙালী নদীর পানি। ছবি: এনসিএন

গেল কয়েকদিনের ভারি বর্ষনে এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বৃদ্ধি পাওয়ার পর বুধবার যমুনার পানি স্থিতিশীল ছিল। এমনকি গত ২৪ ঘন্টায় যমুনার পানি নতুন করে বৃদ্ধি পায়নি।

বুধবার (২২ জুন) যমুনার পানি ৬৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে নতুন করে বাঙালীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। সারিয়াকান্দিতে বাঙালী নদীর পানি বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটর উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন অফিসার গোলাম কিবরিয়া জানান, জেলায় প্রায় ১৬ হাজার পরিবারের ৭৯ হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে।

তিনি আরও জানান, ত্রান তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। বগুড়া জেলা প্রশাসক জিয়াউল হক নিজে ত্রান তৎপরতা তদারকি করছে। বন্যার্তদের মাঝে এ পর্যন্ত ৪৫ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ১০ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক জিয়াউল হক জানান, ত্রানের কোন সমস্যা নেই। আরো ত্রান সামগ্রীর চাহিদা পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় চাল, ডাল, আলু, তেলসহ বেশ কিছু পন্যের প্যাকেট দেয়া হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ জানান, বন্যা দুর্গত এলাকায় ৮ টি নলকুপ বসানো হয়েছে। পাশাপাশি ১৫ হাজার পানি বিশুদ্ধকরণের ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়েছে।

জেলায় তিন উপজেলা সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনটের ৫০টি প্রথমিক বিদ্যালয় ও ৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পানি প্রবেশ করায় ক্লাস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। জেলা প্রথমিক শিক্ষা অফিসার তাহমিনা খাতুন জানান, ৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় পাঠের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সেগুলোতে পাঠ দান বন্ধ রয়েছে।

জেলা শিক্ষা অফিসার হযরত আলী জানান, ৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় নিমজ্জিত হয়ে পাঠ দান বন্ধ রয়েছে।

এদিকে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক এনামুল হক জানান , জেলার তিন উপজেলায় আউস ধান ৫৯০ হেক্টর, পাট ২৮৫০ হেক্টর, সবজি ১৭ হেক্টর, ভূট্টা ৪ হেক্টর ও আখ ৩ হেক্টর পানিতে তলিয়ে গেছে। তিনি আরো বলেন, তিন উপজেলায় ২৪ হাজার ২৭৪ জন কুষক ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছে।

এনসিএন/এএ

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email
Print