সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তরের প্রশিক্ষণ মাঠে নির্বাচনী মহড়া পর্যবেক্ষণ শেষে তিনি একথা বলেন।
সিইসি জানান, বিজিবির মহড়ায় নির্বাচনের সম্ভাব্য সব পরিস্থিতি বিবেচনায় রাখা হয়েছে। নির্বাচনী দায়িত্ব দীর্ঘ ব্যবধানে আসে বলে বিশেষ প্রশিক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। পুলিশ ইতোমধ্যে ১৩০টি কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, আনসার-ভিডিপি এবং অন্যান্য বাহিনীও প্রস্তুতি নিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, “দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ৫ আগস্টের তুলনায় অনেক উন্নত। ভোটের তারিখ ঘনিয়ে এলে পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হবে। ৩০ নভেম্বর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করে ডেপ্লয়মেন্ট স্ট্র্যাটেজি চূড়ান্ত করা হবে।” সেনাবাহিনী কন্টিনজেন্ট আকারে মোতায়েন হওয়ায় তাদের নিয়োগ বিশেষভাবে বিবেচনা করে করা হবে বলেও তিনি জানান।
নির্বাচন প্রতিহতের ঘোষণার বিষয়ে সিইসি কঠোর অবস্থান জানান। তিনি বলেন, “যারা প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাংবাদিক, ভোটার ও দেশবাসী সবাইকে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি রোধে এগিয়ে আসতে হবে।”
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন—এই তিন ভাগে চিহ্নিত করে প্রয়োজন অনুযায়ী বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলেও তিনি জানান।
এদিকে বিজিবি জানিয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে বিজিবির ১২১০ প্লাটুন মোতায়েন থাকবে। সীমান্তবর্তী ১১৫ উপজেলার মধ্যে ৬০টিতে বিজিবি এককভাবে দায়িত্ব পালন করবে।
মহড়া পরিদর্শনে বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
