ডিসেম্বর ১, ২০২৫ ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ

বগুড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ফল প্রকাশে ত্রুটি, বিপাকে শিক্ষার্থী-অভিভাবকেরা

বগুড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ফল প্রকাশে ত্রুটি, বিপাকে শিক্ষার্থী-অভিভাবকেরা
বগুড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ফল প্রকাশে ত্রুটি, বিপাকে শিক্ষার্থী-অভিভাবকেরা। ছবি: এনসিএন

সোমবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে ফল প্রকাশিত হয় বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের (ভিএম) দিবা শাখার মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষার্থীদের। তবে প্রকাশিত ফলাফলে একই শিক্ষার্থীর নাম তিনবার তালিকায় উঠে এসেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা।

মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষার্থী হলো- মোছাঃ শর্মিলা আকতার। সে বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণীতে ভর্তির জন্য অনলাইনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করে। তবে টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে প্রকাশিত ফলাফলে তার নাম একাধিকবার উঠে আসে।

গতকাল ফল প্রকাশের পর মেধা তালিকার একটি মাস্টার কপি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। মূলত এরপর থেকেই নানা মহলে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

মাস্টার কপি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে

বিষয়টি নিয়ে বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল ইসলাম জানালেন, ‘ফলাফল প্রকাশের পর থেকে আমরা সবাই বিভ্রান্তিতে পড়েছি। তবে ইতোমধ্যেই প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব পূনরায় ফলাফল প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।’

বগুড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, তৃতীয় শ্রেণীতে ভর্তিচ্ছুক ৮ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থী অনলাইনে আবেদন করেছিল। এর মধ্যে বিদ্যালয়ের যৌথ শাখায় (প্রভাতি ও দিবা) ২০৬ শিক্ষার্থীকে ভর্তির সুযোগ দেয়া হবে।

আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘যারা মেধা তালিকায় স্থান পাবে সেই শিক্ষার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা ও যথাযথ বৈধ কাগজপত্রের মাধ্যমে বিদ্যালয়ে ভর্তি করে নেয়া হবে। তবে ফল প্রকাশে ত্রুটি হওয়ার কারণে এই প্রক্রিয়ায় কিছুটা সময় লাগতে পারে। তবে আশা করছি, খুব শিগগিরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টির সমাধান দিতে পারবেন।

এদিকে প্রকাশিত ফলাফল নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন অভিভাবকেরা। তারা বলছে, বগুড়া জেলার স্বনামধন্য একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ফল নিয়ে এমনটা আশা করেননি। ত্রুটিপূর্ণ এমন ফলাফলে অনেক শিক্ষার্থীরই মন ভেঙে যাবে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে আরো সচেতন হওয়া প্রয়োজন ছিল বলে মনে করছেন তারা।

জানা যায়, গত ১৬ নভেম্বর থেকে সারাদেশের সব সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়। ভর্তি ফরম জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ৬ ডিসেম্বর। পরে সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তিতে কেন্দ্রীয় লটারির জন্য নির্ধারিত তারিখ ছিল ১০ ডিসেম্বর। কিন্তু তা স্থগিত করে গতকাল সোমবার ফল প্রকাশ করা হয়।

বিস্তারিত আসছে…

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email
Print