ডিসেম্বর ১, ২০২৫ ৩:৫৫ পূর্বাহ্ণ

লোডশেডি থাকছে ৩ থেকে ঘন্টা : দিতে হচ্ছে মধ্যরাত লোড শেডিং।

নেসকোর এক ঘন্টার লোডশেডিং এর সিডিউল ভেঙে পড়েছে

বগুড়ায় ভয়াবহ লোডশেডিং, দুঃসহ গরমে জনজীবন নাকাল
বগুড়ায় ভয়াবহ লোডশেডিং, দুঃসহ গরমে জনজীবন নাকাল। ছবি: সংগৃহীত

দুঃসহ গরম তার সাথে ভয়াবহ লোডশেডিং বগুড়ায় জনজীবন নাকাল। নেসকোর এক ঘন্টার লোডশেডিং এর সিডিউলভেঙে পড়েছে।

জেলায় বিভিন্ন এলাকায় এক ঘন্টা লোড শেডিং দেয়ার কথা থাকালেও প্রতিদিন তিন থেকে সাড়ে তিন ঘন্টা লোডশেডিং দিচ্ছেনেসকো। বিদ্যুতের ভোগান্তি দুর করতে মানুষ হাত বাড়িয়েছে তালপাকা, জেনারেটর, চার্জার ফ্যান, চার্জার লাইট।

আরো পড়ুনঃ সারাদেশে সাপ্তাহিক ছুটি সমন্বয় করে খোলা থাকবে শিল্পকারখানা

নেসকোর ডিভিশন এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল মোান্নাফ জানান, জেলার টি ডিভিশনের বিদ্যুতের চাহিদা  পিক আওয়ারে  ৯২ মেগাওয়াট কিন্ত জেলার বিদ্যুৎ বিভাগ  ৬৫ থেকে ৭২ মোগওয়াট। মধ্যরাতে এক বার বিদ্যুৎ চলে গেলে তা আসতে সময় লাগছে  থেকে ঘন্টা। বগুড়া শহরের বাদুড়তলার আশরাফুল ইসলাম জানান, বিদ্যুতের এই ভোগন্তিতে আর সহ্যকরার মত নয়। বিদ্যুৎ চলে গেলে শিশু সন্তাদের  তাল পাখায় বাতাস করতে কালহিল হয়ে পড়ছে সকলে।

তিনি আরো বলেন, যেহেতু অতীতের বিদ্যুৎ  এর লোডশেডিং এর কথা মানুষ ভুলে গিয়েছিল। তাই এখন গরমে লোডশেডিং ভয়াবহতা মানুষ সহ্যকরতে পারছে না।

লোডশেডিং এর প্রভাব পড়েছে বগুড়া শিল্প কারখানায়। বগুড়া বিসিক শিল্প নগরীর শিল্প মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি আব্দুল মালেক জানান, বগুড়া বিসিকে ফাউন্ড্রি, ফ্লাওয়ার মিল, ওষুধ ফ্যাক্টরি,  এ্যালুমিনিয়াম ফ্যাক্টরীর উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে। বগুড়া বিসিকের বাইরে অনেক শিল্প কারখানা আছে। তাদের অবস্থা একই রকমের।

আরো পড়ুনঃ ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ পুন:নির্মানের অনুমোদন

বিসিকে  থেকে ঘন্টা লোডশেডিং দেয়া হচ্ছে। লোডশেডিং উৎপাদন ব্যাহত না হয় তার জন্য ডিজেল চালিত জেনারেটর ব্যবহার করতে হচ্ছে। বিসিকের ফ্যাক্টরী মালিকদের অভিযোগ ডিজেলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় জেনারেটর  দিয়ে উৎপাদন সচল রাখতে তাদের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। এর ফলে অনেক সময় মিলকারখানা কিছুক্ষনের জন্য বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

বিসিকের ডিজিএম ,কেএম মাহফুজুর রহমান জানানা নেসকো করতোয়াকে জানানো হয়েছে বিসিকে লোডশেডিং থাকলে উৎপাদন ব্যাহত হবে। মিল মালিকদের লোকসান হবে, শ্রমিকরা কর্মসংস্থান হারাবে এবং সরকার রাজস্ব হারাবে। বিসিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখার অনুরোধ করা হয়েছে। এটাকে অগ্রাধিকার দেয়া হোক।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য রাত টার পর জরুরী প্রতিষ্ঠান ছাড়া সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার কথা থাকলেও তা কেউই আমলে নিচ্ছেনা। রাত টার পর প্রায় দোকানপাট খেলা থাকছে।

বিভিন্ন বিপনী বিতানগুলোর দোকান মালিক জানিয়েছেন, সন্ধ্যার পর পরই রাত টা বেজে যায়। তারা রাত টার পর দোকানবন্ধ রাখার আবেদন করেছেন।

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email
Print